বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) একমাত্র মেডিকেল সেন্টারে তিন মাস ধরে ডাক্তার না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে চিকিৎসা সেবা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১২ হাজার শিক্ষার্থী, তিনশত শিক্ষক এবং ১ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর চিকিৎসা সেবার জন্য মাত্র দুইজন ডাক্তার ও পাঁচজন কর্মচারী নিয়ে একটি মেডিকেল সেন্টার চালু ছিলো। কিন্তু দুইজন ডাক্তার তিনমাস আগে পদত্যাগ করলে সেখানে নতুন করে কোন ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হয়নি। এদিকে চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সকলের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহেলী শারমিন বলেন, আমি কয়েকদিন ধরে ঠা-া-জ্বরে ভুগছি। মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে দেখি কোন ডাক্তার নেই ওষুধ নেই। আগে আসলে মোটামুটি কয়েকটি ওষুধ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন সে ব্যবস্থাও নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত একজন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ হাজারের মতো মানুষ রয়েছে। তাদের জন্য অনেক বড় একটি মেডিকেল সেন্টার প্রয়োজন। কিন্তু এখানে ছোট একটি কক্ষে ডাক্তারবিহীন তাদের চিকিৎসা করার কোন ব্যবস্থা নেই। আমরা চাইলেও কারও চিকিৎসা করতে পারি না। ফলে আমাদের কোন কাজ ছাড়াই বসে থাকতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, আমরা ডাক্তারের প্রয়োজনীয়তা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমস্যাসহ সবই উপলব্ধি করতে পারছি। কিন্তু চলতি উপাচার্য হিসেবে আমার পক্ষে নতুন ডাক্তার নিয়োগ দেয়া সম্ভব নয়। তবে আমি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জানিয়েছি।
নগরকন্ঠ.কম/এআর